আমি গত পোস্টে
ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং ও চ্যাটিং ক্লায়েন্ট সম্পর্কে লিখেছিলাম। সেই পোস্টে আমি
বলেছিলাম যে আজ pidgin নামক একটি থার্ড পার্টি চ্যাটিং ক্লায়েন্ট সম্পর্কে
লিখব। তাই আজকের এই পোস্ট। পিজিন হলো একটি চ্যাটিং ক্লায়েন্ট যা দিয়ে খুব সহজে
বিভিন্ন ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং সারভিসের সেবা একটি ক্লায়েন্ট দিয়েই পাবেন। অর্থাৎ
আপনি একই সাথে ফেসবুক, জিমেইল, ইয়াহুর বন্ধুদের সাথে একটি মাত্র ক্লায়েন্ট
ব্যাবহার করেই চ্যাটিং করতে পারবেন। এটি ওপেন সোর্স সফটওয়ার ও ফ্রিওয়্যার তো
অবশ্যই। এই সফটওয়্যারটি আপনি উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাক ওএস প্লাটফর্মে ব্যাবহার
করতে পারবেন। পিজিন দিয়ে যে সকল ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং সারভিস ব্যাবহার করতে
পারবেনঃ
Monday, November 12, 2012
Sunday, November 11, 2012
ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং ও চ্যাটিং ক্লায়েন্ট
ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং (Instant Messaging) কে সংক্ষেপে বলা হয় IM. এটি হলো ইন্টারনেটের
মাধ্যমে যোগাযোগের একটি মাধ্যম যাতে একজন সেন্ডার ও রিসিভার এর মধ্যে টেক্সট /
লেখা আদান প্রদান হয়। এই লেখা আদান প্রদান কম্পিউটার টু কম্পিউটার বা কম্পিউটার টু
মোবাইল বা মোবাইল টু মোবাইল এর মধ্যে হতে পারে। তবে এই Instant Messaging অব্যশ্যই একটি নেটওয়ার্কের আওতায় যেমন ইন্টারনেটের মাধ্যমে হতে হবে।
এটি point-to-point পারে আবার multicast কমিউনেকেশনও
হতে পারে। Point-to-point মানে হলো দুজন ব্যাক্তির মধ্যে যোগাযোগ
আর multicast মানে হলো একজন সেন্ডার এর সাথে একাধিক
রিসিভার। এই ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিংকে চ্যাটিং বলা হয়। এটি Instant Messaging
বলার কারণ হলে যিনি সেন্ডার তার টেক্সট কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে
রিসিভার গ্রহণ করে থাকেন। তবে এখনকার সময় শুধু টেক্সট মেসেজিং এর মধ্যেই চ্যাটিং
সিমাবদ্ধ নয়। এখন অডিও চ্যাটিং ও ভিডিও চ্যাটিংও অধিক জনপ্রিয়।
Friday, November 02, 2012
উইন্ডোজ ৮ এর জন্য শাটডাউন শর্টকাট তৈরী করুন
উইন্ডোজ ৮ শাটডাউন করার জন্য কয়েকটি পর্যায়ে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য আপনি স্টার্ট স্ক্রীনে অথবা ডেসক্টপে শাটডাউন করার জন্য শর্টকাট তৈরী করতে পারেন।
এজন্য প্রথমে আপনার ডেস্কটপের ফাকা যায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করে New > Shortcut এ ক্লিক করুন।
নিচের মতো দেখতে পারবেন।
এখানে Type the location of the item: ঘড়ে লিখুন "shutdown /s /t 0" (কোটেশন মার্ক ছাড়া এবং শেষের ক্যারেক্টারটি হলো শূণ্য, “O”/ ও নয় )।
এবার Next বাটনে ক্লিক করুন। এখানে শর্টকাট ফাইলটির নাম দিন। Shutdown দিলে ভালো হয়।
এবার Finish বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার ডেস্কটপে সদ্য তৈরীকৃত শাটডাউন শর্টকাটটি ডাবল ক্লিক করলেই আপনার কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যাবে। একটু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য চলুন এর আইকন চেঞ্জ করি। এজন্য ফাইলটিতে রাইট বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।
এখান থেকে Change Icon... বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ডায়ালগ বক্স আসলে OK বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Change Icon উইন্ডো থেকে পাওয়ার আইকন সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লিক করুন।
আবার OK বাটনে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
এবার আপনি যদি শর্টকাট মেনুটি আপনার স্টার্ট স্ক্রীনে রাখতে চান তাহলে ফাইলটির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Pin to start এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনি স্টার্ট স্ক্রিণে Shutdown আইকন দেখতে পারবেন। মনে রাখবেন এটিতে একটি ক্লিক করলেই আপনার কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যাবে।
উইন্ডোজ ৮ এর জন্য শাটডাউন শর্টকাট তৈরী করুন
উইন্ডোজ ৮ শাটডাউন করার জন্য কয়েকটি পর্যায়ে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য আপনি স্টার্ট স্ক্রীনে অথবা ডেসক্টপে শাটডাউন করার জন্য শর্টকাট তৈরী করতে পারেন।
এজন্য প্রথমে আপনার ডেস্কটপের ফাকা যায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করে New > Shortcut এ ক্লিক করুন।
নিচের মতো দেখতে পারবেন।
এখানে Type the location of the item: ঘড়ে লিখুন "shutdown /s /t 0" (কোটেশন মার্ক ছাড়া এবং শেষের ক্যারেক্টারটি হলো শূণ্য, “O”/ ও নয় )।
এবার Next বাটনে ক্লিক করুন। এখানে শর্টকাট ফাইলটির নাম দিন। Shutdown দিলে ভালো হয়।
এবার Finish বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার ডেস্কটপে সদ্য তৈরীকৃত শাটডাউন শর্টকাটটি ডাবল ক্লিক করলেই আপনার কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যাবে। একটু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য চলুন এর আইকন চেঞ্জ করি। এজন্য ফাইলটিতে রাইট বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।
এখান থেকে Change Icon... বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ডায়ালগ বক্স আসলে OK বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Change Icon উইন্ডো থেকে পাওয়ার আইকন সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লিক করুন।
আবার OK বাটনে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
এবার আপনি যদি শর্টকাট মেনুটি আপনার স্টার্ট স্ক্রীনে রাখতে চান তাহলে ফাইলটির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Pin to start এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনি স্টার্ট স্ক্রিণে Shutdown আইকন দেখতে পারবেন। মনে রাখবেন এটিতে একটি ক্লিক করলেই আপনার কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যাবে।
আপনার অফিস ডকুমেন্ট ফাইগুলো পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত করুন
আপনি যদি আপনার মাইক্রোসফট অফিস ডকুমেন্টগুলো পাসওয়ার্ড দ্বাড়া সুরক্ষিত
করতে চান তাহলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন। এখানে আমি মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড ২০০৭
ব্যাবহার করেছি।
প্রথমে Microsoft Office Button
এ ক্লিক করুন। এবার Prepare এ ক্লিক করে
ডানপাশের Encrypt Document এ ক্লিক করুন।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড
Strong Password কি? সহজ কথায়
হলো যা কেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না অথবা কেউ ব্রেক করতে পারবে না। তার মানে এই
শব্দগুলো কোন ডিকশনারীতে নেই অথবা এগুলো কোন কমন নাম বা শব্দ নয়। Password ব্রেক করার একটি পদ্ধতি
হলো brute force attack. যা মূলত তার
ডিকশনারিতে থাকা শব্দগুলো একের পর এক সার্চ করে ব্রেক করার চেষ্টা করে। এই জন্য
একটি ১৪ ক্যারেকটারের পাসওয়ার্ড থেকে একটি ১৫ ক্যারেকটারের পাসওয়ার্ড ব্রেক
করা ৯০ গুণ কঠিন !
আপনি হয়ত এখানে খেয়াল করে দেখবেন আমি লিখেছি ক্যারেকটার(character), অক্ষর
(letter) নয়। এর কারণ হলো একটি ভালো পাসওয়ার্ড অবশ্যই বিভিন্ন ক্যারেকটার সমন্বিত
হবে যেমন Number, ছোট হাতের অক্ষর , বড় হাতের অক্ষর। আপনি যে ওয়েবসাইটে পাসওয়ার্ড
দিচ্ছেন তা যদি স্পেশাল ক্যারেক্টার (যেমনঃ *,!,$,#, ইত্যাদি) গুলো ব্যাবহার করার
অনুমতি দেয় তাহলে স্পেশাল ক্যারেক্টার ও পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যাবহার করা হবে
নিরাপদ।
ভালো পাসওয়ার্ড এর উদাহরণঃ ধরুন আপনার নাম Rahim Sarkar. আপনি মনে রাখার
সুবিধার্তে এটিকে উল্টোদিক দিয়ে লিখতে পারেন rakrasmihar । এটিকে আরও শক্তিশালী
করা যায় এর শেষে আপনার জন্মসাল বা প্রিয় নম্বর যুক্ত করে। ধরুণ আপনার জন্মসাল হলো
1983। তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড এখন হলো rakrasmihar1983 । এটিকে আরও শক্তিশালী করতে
চান? তাহলে এর মাঝখানের কয়েকটি অক্ষর বড় হাতের করে দিন। আমি h ও m বড় হাতের করে
দিলাম। তাহলে পাসওয়ার্ডটি এখন হলো rakrasMiHar1983 । এটিকে আরও শক্তিশালী করতে এর
মাঝখানের i এর বদলে আপনি ! (আশ্চর্যবোধক চিহ্ণ) ব্যাবহার করতে পারেন। তাহলে এখন
পাসওয়ার্ডটি দেখুনঃ rakrasM!Har1983 । পাসওয়ার্ডটি এখন অনেক শক্তিশালী। সহজে ব্রেক
করা সম্ভব না।
আসলে প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড দেওয়া উচিত। কিন্তু আমরা অনেকেই একই পাসওয়ার্ড অনেক যায়গায় দিয়ে থাকি। আপনি যদি পাসওয়ার্ড সবসময় ভুলে যান তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যাবহার করতে পারেন। অথবা আপনি আপনার পাসওয়ার্ডগুলো একটি এক্সেল ডকুমেন্টে লিখে সেভ করতে পারেন। আর হ্যা এক্সেল ফাইলটিও অব্শ্যই একটি পাসওয়ার্ড দ্বাড়া সুরক্ষিত রাখবেন।
Wednesday, October 03, 2012
ডাউনলোড নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান (পর্বঃ২) – টরেন্ট সমাচার
টরেন্ট এর মাধ্যমে আপনি যে কোন সাইজের ফাইল/ফোল্ডার শেয়ার করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনার বন্ধুটি সরাসরি আনার পিসি থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারবে। তো টরেন্ট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার পূর্বে কয়কেটি শব্দের সাথে পরিচিত হই।
- ক্লায়েন্টে(client): যে সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে আপনি ফাইল আপলোড/ডাউনলোড করবেন
- সীড(seed): যিনি ফাইল শুধুমাত্র আপলোড করেন
- পীর(peer): যিনি একই সাথে আপলোড ও ডাউনলোড করেন
- ট্রাকার(tracker): যে ওয়েব সাইটে .torrent ফাইলটি আপলোড করা থাকে
- Bit Torrent
- μTorrent
- Bit Commet
সেটাপ করার পরর এবার আমাদের টরেন্ট খোজার পালা। এজন্য আমরা টরেন্ট সার্চ ইঞ্জিনের সহায়তা নিব। ইন্টারনেটে অনেকগুলো টরেন্ট সার্চ ইঞ্জিন পাবেন, তবে আমার পছন্দের সার্চ ইন্জিনটি হলো torrentz.eu ।
ধরুন, আমরা Kungfu Panda 2 মুভিটা ডাউনলোড করতে চাই। তাহলে আমরা সার্চ বক্সে Kungfu Panda 2 লিখে সার্চ দেই।
এবার অনেকগুলো সার্চ রেজাল্ট পাওয়া যাবে। এখানে আপনি ফাইল সাইজ, সীড এবং পীর এর সংখ্যা দেখে লিংকে ক্লিক করবেন।
উপরের চিত্রে দেখেন প্রথমে যে লিংকটি আছে তার সীড সংখ্যা ৬,০৭৮ এবং পীর এর সংখ্যা ৭২৯। তাই আমরা এটিতে ক্লিক করব। এটির উপর ক্লিক করলে আপনারা নিম্নের ন্যায় স্ক্রিন দেখতে পারবেন।
এখানে প্রথম লিংকটা দেখতে পারবেন লেখা আছে Direct Download. এটাতে কখনও ক্লিক করবেন না। কারণ এটা হলো একটি স্পন্সরড লিংক। যাই হোক। নিচের যে কোন লিংকে আপনি ক্লিক করলে একটি নতুন উইন্ডোতে যাবেন। আমার এই টিউটোরিয়ালে আমি bt-chat.com এ ক্লিক করেছি।
এখানে নিচে দেখুন Download এর চিহ্ণসহ Download বাটন আছে। ওটাতে ক্লিক করুন। কোন কোন টরেন্ট সাইটে আপনি এই কথাগুলো দেখতে পারবেন। Torrent Download অথবা Magnet Link এই দুইটার যে কোন একটাতে আপনাকে ক্লিক করতে হবে।
যেমন এক্ষেত্রে আমি Download বাটনে ক্লিক করলাম। এর ফলে নিচের মতো একটি উইন্ডো আসবে।
Open with থেকে μTorrent সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লিক করুন। এর ফলে আপনার টরেন্ট ফাইলটি μTorrent এর মাধ্যমে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। এর পরের উইন্ডোতে আপনাকে ডাউনলোড লোকেশন সেট করতে হবে। সেট করা হয়ে গেলে Start Download বাটনে ক্লিক করুন।
এখন আপনি μTorrent টরেন্ট উইন্ডোতে দেখুন ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আপনি চাইলেই একটি টরেন্টে থাকা ফাইলগুলোর মধ্যে আপনার নির্বাচিত কিছু ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন। এজন্য নিচের ছবির মতো Files ট্যাবে ক্লিক করুন। এটি μTorrent উইন্ডোর একদম নিচে অবস্থিত।
এখানে আপনি আপনার টরেন্টের ফাইলগুলোর লিস্ট দেখতে পারবেন। যে ফাইলটি ডাউনলোড করতে চাননা সেটির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Don’t Download এ ক্লিক করুন।
আর হ্যাঁ ডাউনলোড শেষ হলে আপনি নিচের ছবির মতোন নোটিফিকেশন দেখতে পারবেন।
কিছু সতর্কতাঃ
**টরেন্টের মাধ্যমে যেহেতু অন্যে কম্পিউটার থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতেছি তাই এর মাধ্যমে ভাইরাস আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার উচিত একটি শক্তিশালী এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করা।পোস্টটি অনেকদিন আগে করে রেখেছিলাম। ব্যাস্ত থাকার কারণে আপলোড করা হয়নি। আপানি যদি আমাদের পূর্বের পর্ব মিস করে থাকেন তাহলে এখনি ভিজিট করুনঃ ডাউনলোড নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান (পর্বঃ১)
**অনেকেই টরেন্ট ডাউনলোড চলাকালীন সময়েই ডাউনলোডকৃত ভিডিও ফাইলগুলো চালিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। এটা কখনও করবেন না। এতে আপনি কষ্ট করে যে ফাইল ডাউনলোড করতেছেন তা করাপ্টেড হতে পারে।
**ডাউনলোড শেষ হলে টরেন্ট ফাইলটি সিড হতে থাকে। অর্থাৎ আপনি তখন আপলোড করেন। তাই আপনি যদি না চান অথবা লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে ডাউনলোড শেষ হলে সিড স্টপ করবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)